আগামী বছরের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উত্তরণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ যাত্রা বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিলেও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু করা উচিত।
রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে গতকাল কোরিয়া-বাংলাদেশ বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সেমিনারে এ কথা বলেন বক্তারা। ‘স্ট্রেংদেনিং বিলাটেরাল ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থ্রু দ্য কোরিয়া-বাংলাদেশ ইএফএ’ শীর্ষক এ সেমিনারটি যৌথভাবে আয়োজন করে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) ও ঢাকায় অবস্থিত কোরিয়ান দূতাবাস।
অনুষ্ঠানে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার বলেন, ‘উৎপাদন ও সেবা খাতে বিদেশী বিনিয়োগ আনতে হবে। রফতানিমুখী উৎপাদন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এজন্য শুল্কহার যৌক্তিক করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।’
কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেন, বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন করা অত্যন্ত জরুরি। এলডিসি উত্তরণের ঊষালগ্নে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু করা উচিত।’
এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক নূরুল কবীরের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি ও গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমানসহ আরো অনেকে।